image Source - Google
বাংলা নিউজ ডেস্ক: সত্যিটা বেরিয়ে এসেছিল। সেটাই বরদাস্ত হল না। পাকিস্তানের সরকারি চ্যানেল পি টিভি তাদের দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করল। এই দুই সাংবাদিকের অপরাধ তারা চ্যানেলে পাকিস্তানের ভুল ম্যাপ দেখিয়েছে, যেখানে কাশ্মীরকে ভারতের অংশ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
৬ই জুন পাক চ্যানেল পিটিভি নিউজ সম্প্রচারিত ওই খবরের অংশটি নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে পাক সংসদে। ৬ই জুন সেনেট চেয়ারম্যান সাদিক সাঁঝরানি গোটা বিষয়টি তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের স্ট্যান্ডিং কমিটির সামনে উপস্থাপন করেন। তারপরেই ৭ই জুন পাকিস্তান টেলিভিশন বা পিটিভি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায়, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিটিভি জানায়, যারা এই অপরাধের পিছনে রয়েছে, তাদের রেয়াত করা হবে না। উপযুক্ত শাস্তি মিলবে। ১০ই জুন কোপ এসে পড়ে দুই সাংবাদিকের ওপর। ওই দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কোন দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করা হয়েছে, তা জানা না গেলেও, এই ধরণের অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই বলে জানিয়েছে ওই সংস্থা।
এর আগে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরি এবং মানবাধিকার মন্ত্রকের মন্ত্রী শীরেন মাজারি গোটা ঘটনায় তদন্ত দাবি করেছিলেন।
এর আগে, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চায় পাকিস্তান৷ তখন রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীরকে ভারতের রাজ্য বলে স্বীকার করেছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেসি। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী রাষ্ট্রসংঘে মানবাধিকার পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিষ্কার জানান ‘Indian State of Jammu and Kashmir’৷
ইউএনএইচআরসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কুরেশি জানান, ভারত সবসময়ই চেষ্টা করছে কাশ্মীরের একটা শান্তিপূর্ণ ছবি তুলে ধরতে৷ কিন্তু সেটা সত্যি নয়৷ কাশ্মীরের জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি৷ ভারতের রাজ্য জম্মু-কাশ্মীরে কেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না? প্রশ্ন তোলেন কুরেশি।
বাংলা নিউজ ডেস্ক: সত্যিটা বেরিয়ে এসেছিল। সেটাই বরদাস্ত হল না। পাকিস্তানের সরকারি চ্যানেল পি টিভি তাদের দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করল। এই দুই সাংবাদিকের অপরাধ তারা চ্যানেলে পাকিস্তানের ভুল ম্যাপ দেখিয়েছে, যেখানে কাশ্মীরকে ভারতের অংশ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
৬ই জুন পাক চ্যানেল পিটিভি নিউজ সম্প্রচারিত ওই খবরের অংশটি নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে পাক সংসদে। ৬ই জুন সেনেট চেয়ারম্যান সাদিক সাঁঝরানি গোটা বিষয়টি তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের স্ট্যান্ডিং কমিটির সামনে উপস্থাপন করেন। তারপরেই ৭ই জুন পাকিস্তান টেলিভিশন বা পিটিভি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায়, গোটা ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিটিভি জানায়, যারা এই অপরাধের পিছনে রয়েছে, তাদের রেয়াত করা হবে না। উপযুক্ত শাস্তি মিলবে। ১০ই জুন কোপ এসে পড়ে দুই সাংবাদিকের ওপর। ওই দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কোন দুই সাংবাদিককে বরখাস্ত করা হয়েছে, তা জানা না গেলেও, এই ধরণের অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই বলে জানিয়েছে ওই সংস্থা।
এর আগে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরি এবং মানবাধিকার মন্ত্রকের মন্ত্রী শীরেন মাজারি গোটা ঘটনায় তদন্ত দাবি করেছিলেন।
এর আগে, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চায় পাকিস্তান৷ তখন রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীরকে ভারতের রাজ্য বলে স্বীকার করেছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেসি। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী রাষ্ট্রসংঘে মানবাধিকার পরিষদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিষ্কার জানান ‘Indian State of Jammu and Kashmir’৷
ইউএনএইচআরসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কুরেশি জানান, ভারত সবসময়ই চেষ্টা করছে কাশ্মীরের একটা শান্তিপূর্ণ ছবি তুলে ধরতে৷ কিন্তু সেটা সত্যি নয়৷ কাশ্মীরের জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি৷ ভারতের রাজ্য জম্মু-কাশ্মীরে কেন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না? প্রশ্ন তোলেন কুরেশি।
সূত্র - kolkata24x7